আগামী মুজিববর্ষেই হউক শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ।


অথর
শিক্ষক নিউজ ডেক্স   খোলা মতামত
প্রকাশিত :২৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ৯:০৫ অপরাহ্ণ
  • 2
    Shares
আগামী মুজিববর্ষেই হউক শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ্য বাঙালি, বাঙালি জাতির নাড়ির স্পন্দন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য এই বাংলার বুকে যার জন্ম হয়েছিল তিনি হলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, অগ্নিকন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা। বাঙালি জাতির জন্য নিবেদিত প্রাণ বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই মুজিববর্ষেই সমগ্র বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অনেক দিনের লালিত স্বপ্ন জাতীয়করণ আশা করি খুব শীঘ্রই সুসংবাদ দিবেন। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রীদের তালিকায় আছেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। যার সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে দেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছে গেছে এবং উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় দ্বিতীয়। দেশ আজ

স্বয়ংসম্পূর্ণ। প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্র নায়ক। তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ক্ষুধা দারিদ্র্য মুক্ত দেশ হিসেবে বিশ্বের দরবারে সর্বোচ্চ মর্যাদা পাবার জন্য। আজ দেশ দারিদ্র্য সীমার নিচে নেমে এসেছে। দেশের মানুষ আজ নিরাপদ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেওয়ার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন সুদৃঢ় মনোবল নিয়ে। তিনি আজ বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে এক রুল মডেল হিসেবে রুপান্তরিত করেছেন। যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন হচ্ছে অকল্পনীয়। শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রশাসনিক সর্বক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। শক্ত হাতে দমন হচ্ছে দূর্নীতি। দূর্নীতি দমনে বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা

হয়েছে। দূর্নীতি দমনে নেওয়া হয়েছে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ। আজ বাংলাদেশ দূর্নীতি থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সৎ রাজনীতিবিদ। সবচেয়ে সাহসী রাষ্ট্র নায়ক। যার হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ। যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল যুগে। দেশ আজ তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর। ঘরে বসেই সমগ্র বিশ্বের তথ্য জানা যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় শিক্ষা ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত চরম বৈষম্য বিরাজমান। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নেই পেনশনের সুযোগ সুবিধা, নেই বদলি প্রথা, নেই সন্তানের শিক্ষা ভাতা, নেই স্বল্প সুদে হাউজ লোন, নেই পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, নেই সরকারি ন্যায় বাড়ি ভাড়া এবং চিকিৎসা ভাতা। শিক্ষা ক্ষেত্রে এখনো পর্যন্ত বৈষম্যের অন্ধকারে নিমজ্জিত। শিক্ষা ব্যবস্থা

আজ তিন ধারায় বিভক্ত। সরকারি, বেসরকারি এমপিওভুক্ত, নন এমপিওভুক্ত। যেখানে সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থা একই ধারায় পরিচালিত হওয়ার কথা। পাঠ্যক্রম এক, পাঠ্যপুস্তুক এক তবুও আজও রয়ে গেল বিভাজিত শিক্ষা ব্যবস্থা। স্বাধীনতার স্বপ্ন পুরুষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল শিক্ষা ব্যবস্থা বৈষম্য মুক্ত। সমগ্র শিক্ষা হবে এক লেভেল। সবাই পাবে সমঅধিকার। তারই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাবার স্বপ্নকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সমাপ্তির পথে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি হয়তোবা অবগত আছেন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আপনার অনুগত কর্মচারী। আপনার জীবনের শুভকামনায় সর্বদা জাগ্রত। আমরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বর্তমান সময়ে দূর্বিষহ অবস্থায় জীবনযাপন করতে হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য

বিরাজমান থাকার কারণে। আমরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এই বৈষম্যের হাত থেকে মুক্তি চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনীত অনুরোধ এই যে, আগামী মুজিববর্ষেই সমগ্র বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে জাতিকে সকল বৈষম্যের হাত থেকে মুক্তি দিবেন। এই প্রত্যাশায় আপনার একটি ঘোষণার অপেক্ষায় পথ চেয়ে বসে আছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজ।

ধন্যবাদান্তে
মোঃ আবুল হোসেন
সিনিয়র যুগ্ম- মহাসচিব
বাশিস( কেন্দ্রীয় কমিটি)