আজ বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস


অথর
ডোনেট বাংলাদেশ ডেক্স   স্বাস্থ্য কথন
প্রকাশিত :১০ এপ্রিল ২০১৯, ৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ
  • 67
    Shares
আজ বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস

আজ বুধবার বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিমেনের জন্মবার্ষিকীর দিনে পৃথিবীব্যাপী এ দিবসটি পালন করা হয়।
২০০৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী হ্যানিমেনের জন্মদিন ‘বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। তবে ২০১৪ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশে যাত্রা শুরু বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবসের এবং বিশ্ব হোমিওপ্যাথি আন্দোলনে যুক্ত হয় বাংলাদেশ। দিবসটি পালনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডসহ বিভিন্ন সংগঠন এবং সারাদেশের হোমিও মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলোতে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

দিবসটি পালনের তাৎপর্য জানিয়ে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেছেন, হ্যানিমেন একজন বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী। বিশ্বব্যাপী তার জন্মদিন পালিত হয়। তার জন্মদিনকে

স্মরণীয় করে রাখতেই বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস পালন করা হয়। ২০১৪ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশে যাত্রা শুরু বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবসের।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড আজ (বুধবার) বিকেল ৩টায় রাজধানীর কাকরাইলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য যে বাংলাদেশের আশা ইউনিভার্সিটি ও বিবিসি-বাংলা এর গবেষণা প্রতিবেদন ২০১৫ খ্রিঃ বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪০% জনগন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করে আসছে। বাংলাদেশে ১৯৭২ খ্রিঃ হতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রয়ত্ব বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড (প্রস্তাবিতঃ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল / বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বিশ্ববিদ্যালয়) অধিভূক্ত ও নিয়ন্ত্রিত দেশের প্রায় ৫৬ টি হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজ ও

হাসপাতাল [বিশ্বব্যাপি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের (গ্রাজুয়েট/স্নাতক/বি.এস-সি (পাস) ডিগ্রি সমমান): ডি.এইচ.এম.এস ডিগ্রি কোর্স চালু] গুলোতে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের জন্য সার্জারি, গাইনোলজি, প্যাথলজিসহ অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংযোজিত হয়েছে।

বর্তমানে বিশ্বের প্রায় রাষ্ট্রে সরকার স্বীকৃত মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আছে। মেধাবী শিক্ষার্থীরা হোমিওপ্যাথি বিষয় নিয়ে কোর্স ও গবেষণা করছেন। ঔষধ প্রস্তুতিকরণে এসেছে আধুনিকতা তথা সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ছোয়া।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোগী আরোগ্য ও দ্রুত সুস্থ হচ্ছে এজন্য বাংলাদেশে সকল “সরকারী জেলা সদর হাসপাতাল” ও “সরকারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স” গুলোতে পর্যায়ক্রমে হোমিওপ্যাথি কোর্সকৃতদের “ডা.” (ডাক্তার) হিসাবে “মেডিক্যাল অফিসার (হোমিওপ্যাথি বিভাগ)” পদে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হতে রাজস্বখাতে ও প্রকল্পখাতে নিয়োগ প্রদান করে আসছে। এদের নিয়ন্ত্রণের

জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর” এ “অল্টারনেটিভ মেডিকেল কেয়ার (এএমসি)” বিভাগ চালু করা হয়েছে।