চট্টগ্রাম বন্দরে ৮ মাস আটক কুয়েতে প্রবাসীদের মাল


অথর
প্রবাস ডেক্স   সারা বিশ্ব
প্রকাশিত :৯ জানুয়ারি ২০২০, ২:৪৪ অপরাহ্ণ
  • 3
    Shares
চট্টগ্রাম বন্দরে ৮ মাস আটক কুয়েতে প্রবাসীদের মাল

চট্টগ্রাম বন্দরে আট মাস যাবৎ আটক পড়ে আছে সী কার্গোতে পাঠানো কুয়েত প্রবাসীদের মাল। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে কুয়েত হতে যে সকল প্রবাসীরা দেশে পরিবার পরিজনের জন্য গৃহস্থলী আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল, কসমেটিকস, ট্যাং, দুধসহ ভোগ্যপণ্য সী কার্গোতে মাল বুক দিয়েছে, দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে মালগুলো পোঁছানোর কথা থাকলেও ৮ মাস হয়ে গেছে এখনো বুঝে পায়নি তাদের মাল।
কাজী মোহাম্মদ শাওন ও মোশারফ বলেন, আমি এপ্রিল মাসের মাল দিয়েছি সী কার্গোতে ৫০ দিনের মধ্যে যাওয়া কথা ছিল। আমি দেশে গিয়ে ছুটি শেষে আবার চলে আসছি আজও পাইনি মাল। পাউডার দুধ, কসমেটিকস, গৃহস্থলী ব্যবহারে মাল আছে এতো দিনে নষ্ট হয়ে

গেছে বাকী গুলো নষ্ট হওয়ার পথে। কুয়েতে অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা বলে দেশের বন্দর মাল ছাড়ছে না। এই মাসে ঐ মাসে বলতে বলতে ৮ মাস শেষ হয়ে গেল। কি কারণে মাল আটকে গেল বা আদৌ মাল পাব কি না বিশ্বাস হচ্ছে না। যেখানে শ্রীলংকা, ভারত, পাকিস্তান শত ভাগ নিশ্চয়তা কম খরচে বাসায় পোঁছে দেয়। সর্বশেষ আশ্বস্থ বলে মাল ছাড়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জানুয়ারি মাসে না হলে ক্ষতিপূরণরে টাকা ফেরত দেবে। শহিদুল ইসলাম নামে আরেক প্রবাসী বলেন, আমার এক বন্ধু মারা যাওয়ার পর তার ব্যবহিত জিনিস ও রুমের মালপত্র তার পরিবারে কাছে পাঠিয়েছি ৬ মাস হয়ে গেল এখনও পাইনি।অফিসে যোগাযোগ

করা হলে তারা বলে চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে আছে। কুয়েত সিটির মুরগাব কার্গো ব্যবসায়ী নুরুল আমিন ও ফাহাদ হোসেন বলেন এখানে যারাই কার্গো ব্যবসায় করে তাদের বেশির ভাগেই এজেন্ট হিসেবে সী কার্গো ও এয়ার কার্গোতে প্রবাসীদের হতে মালামাল গ্রহন করি। যাদের কার্গোর লাইসেন্স আছে তাদের কে জমা দিয়ে থাকি। এটা করে আমরা চলি আমাদের পরিবার চলে এখন বাংলাদেশে হঠাৎ করে কেন মাল আটকে রাখল। এখানে কাস্টমাররা প্রতিদিন এসে বিরক্ত করছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানায়, আটককৃত কন্টেইনার গুলোর মধ্যে প্রেরিত পণ্যর সঙ্গে ডকুমেন্টের গরমিল রয়েছে তাই যাচাই বাছাইয়ের পর গরমিল থাকলে সেগুলো আগের মত ছাড়া হচ্ছে না আর তাই সী কার্গো কন্ট্রেনার

গুলো বন্দরে র্দীঘদিন আটকা পড়ে আছে। আগে বন্দরে কিছু অসাধু কর্মকর্তা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরকারি নিয়ম নীতি না মেনে অবৈধভাবে কন্টেইনার খালাসের কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছিল।
সরকারের দূর্নীতি বিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর ও সরকারি নজরদারি জোরদার বাড়ানোর ফলে আগের মত নিয়মের বাহিরে অবৈধ ভাবে মালামাল খালাস দেয়া যাচ্ছে না। তাই বন্দরে কন্টেইনার আটকা পড়ে কন্টেইনার যট সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মাল প্রেরণকারীরা ও এজেন্ট হিসেবে মাল গুলো সংগ্রহকারী কার্গো অফিস ও ব্যবসায়ীরা।