চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রলীগনেতার ওপর দূবৃর্ত্তদের সশস্ত্র হামলা।


অথর
জেলা সংবাদদাতা   চুয়াডাঙ্গা, খুলনা
প্রকাশিত :২০ জুলাই ২০১৯, ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ
  • 3
    Shares
চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রলীগনেতার ওপর দূবৃর্ত্তদের সশস্ত্র হামলা।

চুয়াডাঙ্গা শহরের পৌর এলাকার পুরাতন ফেরীঘাট সংলগ্ন রাহেলা খাতুন বালিকা বিদ্যালয়ের সম্মুখ সড়কে এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারাত্মক ভাবে কুপিয়ে জখম করে একদল সশস্ত্র দূবৃর্ত্ত।বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে ছাত্রলীগ নেতা সোয়েব রিগান ব্যক্তিগত কাজ সেরে মোটর সাইকেলযোগে বাড়িতে ফিরছিল। পথিমধ্যে ওৎ পেতে থাকা পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে ৫-৬ জনের একদল দূবৃর্ত্ত ছাত্রলীগ নেতা রিগানের পথ অবরোধ করে। এবং তাদের কাছে থাকা ধারালো রামদা, চাপাতি,চাইনিজ কুড়াল , ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রিগানকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এমতাবস্থায় উপুর্যপুরি কোপে ছাত্রলীগ নেতা শোয়েব রিগানের হাত-পায়ে মারাত্মক জখম করে দূবৃর্ত্তরা। তার চিৎকারে এলাকাবাসী ছুুুটে এলে রিগানকে মারাত্মক

জখম করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় দূবৃর্ত্তরা। গুরুতর আহত শোয়েব রিগান (২৫) চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার মাঝেরপাড়ার আজম আলির ছেলে।

পরবর্তীতে তাকে সেখান থেকে এলাকাবাসীরা উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মশিউর রহমান জানান, ধারালো চাপাতি দিয়ে উপর্যুপরি কোপানোর ফলে রিগানের দুই পা ও বাম হাতসহ শরীরের অন্তত ৫০টিরও অধিক স্থানে মারাত্মকভাবে ক্ষত বিক্ষত হয়েছে। বিশেষ করে দুই পা ও বাম হাতে কোপ দেওয়া হয়েছে অসংখ্য। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ কারণে আমরা চুয়াডাঙ্গা থেকে রিগানকে ঢাকা পঙ্গুতে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। রাতেই অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে।

মারাত্মক জখম হওয়ায় এবং প্রচুর রক্তপাতের কারনে ছাত্রলীগ নেতা রিগান আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে ঢাকার পঙ্গু (পিজি)হাসপাতালে। এদিকে, ছাত্রলীগ নেতা শোয়েব রিগানের ওপর হামলার খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ জেলা ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা হাসপাতালে ছুটে যান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. কলিমুল্লাহ জানান, এ হামলার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এবং এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ রাতেই জেলা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ৪ জনকে আটক করেছে। এবং যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শহরের প্রদান সড়কে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।