জে.এস.সি পরীক্ষার প্রস্তুতি ( বিজ্ঞান )


অথর
এনামুল ইসলাম মাসুদ   শিক্ষা বাতায়ন ডেক্স
প্রকাশিত :১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
জে.এস.সি পরীক্ষার প্রস্তুতি ( বিজ্ঞান )

জে.এস.সি পরীক্ষার প্রস্তুতি
বিজ্ঞান
মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
সিনিয়র শিক্ষক
দুলালপুর এস.এম.এন্ড কে. উচ্চ বিদ্যালয়
ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা।

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিও।তোমাদের পরীক্ষা শুরু হতে চললো। প্রস্তুতি কেমন হলো শেষ মুহুর্তে জ্ঞান ও অনুধাবনের কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর দেখে নাও। আশাকরি তোমরা উপকৃত হবে।
ক. মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর : মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens
খ. পাখিরা ‍উড়তে পারে কেন?
উত্তর: পাখিদের দেহ পালকে আবৃত। এদের দু’টি ডানা, দু’টি পা ও একটি চঞ্চু থাকে। হাঁড় শক্ত, হালকা ও ফাঁপা। এদের ফুসফুসের সাথে বায়ুথলি আছে।

এই বায়ুথলির কারণে পাখি সহজে উড়তে পারে।
ক. দ্বিপদ নামকরণ কাকে বলে?
উত্তর : দ্বিপদ নামকরণ: একটি প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদ বিশিষ্ট হয়।এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। যেমন: মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens.
খ. প্রাণীজগতের সবচেয়ে বৃহত্তম পর্বটির তিনটি বৈশিষ্ট্য লিখ।
উত্তর : প্রাণীজগতের সবচেয়ে বৃহত্তম পর্বটির নাম আর্থ্রোপোডা।
তিনটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
১. দেহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত ও সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বিদ্যমান।
২. মাথায় একজোড়া পুঞ্জাক্ষি ও অ্যান্টেনা থাকে।
৩. নরম দেহ শক্ত কাইটিন সমৃদ্ধ শক্ত আবরণী দ্বারা আবৃত।
ক. কোষ বিভাজন কাকে বলে?
উত্তর : যে পদ্ধতিতে একটি মাতৃকোষ

বিভাজিত হয়ে অপত্য কোষের সৃষ্টি হয় তাকে কোষ বিভাজন বলে।
খ. ক্যারিওকাইনেসিস এবং সাইটোকাইনেসিসের ব্যাখ্যা দাও।
উত্তর : আমরা জানি, মাইটোসিস কোষ বিভাজন একটি ধারাবাহিক পদ্ধতি। মাইটোসিস কোষ বিভাজনটি দুইটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়।প্রথম পর্যায়ে নিউক্লিয়াস এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে সাইটোপ্লাজমের বিভাজন হয়। নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস এবং সাইটোপ্লাজমের বিভাজনকে সাইটোকাইনেসিস বল।
ক. মাইটোসিসকে কেন সমীকরণিক বিভাজন বলে?

উত্তর : মাইটোসিস কোষ বিভাজনে প্রতিটি ক্রোমোজোম লম্বালম্বিভাবে দু’ভাগে বিভক্ত হয়। ফলে সৃষ্ট নতুন কোষ দু’টিতে ক্রোমোজোমের সংখ্যা, গঠন ও গুণাগুণ মাতৃকোষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা, গঠন ও গুণাগুণ এর সমান থাকে। তাই মাইটোসিস কোষ বিভাজনকে সমীকরণিক বিভাজন বলে।
খ. মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজনের মধ্যে

পার্থক্য লেখ।

উত্তর : মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজনের পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো।
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
১. মাইটোসিস কোষ বিভাজন দেহ কোষে ঘটে
১. মিয়োসিস কোষ বিভাজন জনন কোষে ঘটে।
২. একটি কোষ থেকে দুটি কোষ হয়।
২. একটি কোষ থেকে চারটি কোষ হয়।
৩. ক্রোমোজোমের সংখ্যা মাতৃকোষের সমান থাকে।
৩. ক্রোমোজোমের সংখ্যা মাতৃকোষের সমান থাকে।
৪.ডিপ্লয়েড ও হ্যাপ্লয়েড উভয় কোষে ঘটে।
৪. শুধুমাত্র ডিপ্লয়েড কোষে ঘটে।
ক. অভিস্রবণ কী?
উত্তর : অভিস্রবণ: একই দ্রাবক বিশিষ্ট দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পৃক থাকলে যে ভৌত প্রক্রিয়ায় দ্রাবক কম ঘনত্বের দ্রবণের দিকে ব্যাপিত

হয় তাকে অভিস্রবণ বা অসমোসিস বলে।
ক. অর্ধভেদ্য পর্দা কাকে বলে?
উত্তর : যে পর্দা দিয়ে কেবল দ্রবণের দ্রাবক অণু (উদ্ভিদের ক্ষেত্রে পানি) চলাচল করতে পারে কিন্তু দ্রাব অণু চলাচল করতে পারে না তাকে অর্ধভেদ্য পর্দা বলে। যেমন- কোষ পর্দা, ডিমের খোসার ভিতরের পর্দা, মাছের পটকার পর্দা ইত্যাদি।
খ. প্রস্বেদনকে কেন “ Necessary evil” বলা হয়?
উত্তর : উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া। প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ দেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়। এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে। তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়। এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি ‘Necessary evil’.
ক. প্রস্বেদন কী?
উত্তর : প্রস্বেদন: উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তর থেকে পাতার মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানি নির্গমন হওয়ার প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বলে।
খ. উদ্ভিদের মূল কেটে ফেললে গাছ মরে যায় কেন?
উত্তর : উদ্ভিদের মূলের শীর্ষভাগ থেকে মূলরোম বের হয়ে মাটির কণার মাঝে প্রবেশ করে। স্থলজ উদ্ভিদগুলোর মূলরোম মাটির সূক্ষ্ণ কণার ফাঁকে লেগে থাকা কৈশিক পানি নিজ দেহে টেনে নেয় এবং বিভিন্ন বিপাকীয় কাজে ব্যবহার করে। কিন্তু মূল কেটে ফেললে পানির অভাবে সব বিপাকীয় কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং তাই গাছ মরে যায়।
ক. ব্যাপন কাকে বলে?
উত্তর : যে ভৌত প্রক্রিয়ায় কোনো পদার্থের অণুগুলো অধিকতর ঘনত্বের স্থান হতে কম ঘনত্বের স্থানে বিস্তার লাভ করে তাকে ব্যাপন বলে।
খ. ইমবাইবিশন বলতে কী বোঝ?
উত্তর : অধিকাংশ কলয়েডধর্মী পদার্থই প্রানিগ্রাহী। উদ্ভিদদেহে বিভিন্ন ধরনের কলয়েডধর্মী পদার্থ বিদ্যমান। যথা- স্টার্চ, সেলুলোজ, জিলেটিন ইত্যাদি। এসব পদার্থ তাদের কলয়েডধর্মী গুণের জন্যই পানি শোষণ করতে সক্ষম। কলয়েডধর্মী বিভিন্ন পদার্থ ( উদ্ভিদের ক্ষেত্রে কোষ প্রাচীর) যে প্রকিয়ায় নানা ধরনের তরল পদার্থ ( উদ্ভিদের ক্ষেত্রে পানি) শোষণ করে তাকে ইমবাইবিশন বলে।
ক. প্রজনন কাকে বলে?
উত্তর : প্রজনন: যে জটিল প্রক্রিয়ায় জীব তার প্রতিরূপ বা বংশধর সৃষ্টি করে তাকে প্রজনন বা জনন বলে।
খ. পরাগায়ন বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : পরাগায়ন: ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুন্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে।পরাগায়নকে পরাগসংযোগও বলা হয়। পরাগায়ন ফল ও বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত।পরাগরেণু স্থানান্তরের কাজটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাধ্যমের দ্বারা হয়ে থাকে। যে বাহক পরাগরেণু বহন করে গর্ভমুন্ড পর্যন্ত নিয়ে যায় তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলে।
বায়ু, পানি, কীট-পতঙ্গ, পাখি, বাদুড়, শামুক এমনকি মানুষ এ ধরনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে।
খ. স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়নের ১টি করে সুবিধা লিখ।
উত্তর : স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়নের ১টি করে সুবিধা নিচে উল্লেখ করা হলো-
স্ব-পরাগায়নের সুবিধা: স্ব-পরাগায়নে প্রজাতির বিশুদ্ধতা রক্ষিত হয়।
পর-পরাগায়নের সুবিধা: পর-পরাগায়নে নতুন চরিত্রের সংমিশ্রণ হয়।
খ. পতঙ্গপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর : পতঙ্গপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্য হলো-
i. পতঙ্গ পরাগী ফুল আকারে বড়, রঙ্গিন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত হয়।
ii. পরাগরেণু ও গর্ভমুন্ড আঠালো ও সুগন্ধযুক্ত।
ক. হরমোন কী?
উত্তর : হরমোন: যে রাসায়নিক বস্তু কোন কোষে উৎপন্ন হয়ে উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষের কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে তাকে হরমোন বলে।
খ. উদ্ভিদে অক্সিনের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : উদ্ভিদে অক্সিনের ভূমিকা: অক্সিন উদ্ভিদের বৃদ্ধি সহায়ক হরমোন।চার্লস ডারউইন এ হরমোন প্রথম আবিষ্কার করেন। তিনি উদ্ভিদের ভ্রূণমুকুলাবরণীর উপর আলোর প্রভাব লক্ষ করেন। যখন আলো তীর্যকভাবে একদিকে লাগে তখন ভ্রূণমুকুলাবরণী আলোর উৎসের দিকে বক্র হয়ে বৃদ্ধি লাভ করে। প্রকৃতপক্ষে ভ্রূণমুকুলাবরণীর অগ্রভাগে অবস্থিত রাসায়নিক পদার্থটি ছিল বৃদ্ধি সহায়ক হরমোন। অক্সিন প্রয়োগে শাখা কলমে মূল গজায়, ফলের অকাল ঝরেপড়া রোধ করে। এছাড়া অক্সিন পুষ্পায়নে, টিস্যু কালচাল, এবং আগাছাদমনেও ভূমিকা রাখে।
ক. নিউরন কী?
উত্তর : নিউরন: স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একককে নিউরন বলে।
খ. মস্তিষ্কের মেডুলার কাজ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : মেডুলা মস্তিষ্কের নিচের অংশ। সুষুম্না শীর্ষক পনসের নিম্নভাগ থেকে মেরুরজ্জুর উপরিভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত। অর্থাৎ এটা মস্তিষ্কের মেরুরুজ্জুর সাথে সংযোজিত করে। মস্তি্যেষ্কর এ অংশ হৃদস্পন্দন , খাদ্যগ্রহণ ও শ্বসন ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
ক. প্রতিবর্ত ক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর : প্রতিবর্ত চক্র: যে ক্রিয়া অনুভূতির উত্তেজনা দ্বারা উৎপন্ন হয়, মস্তিষ্ক দ্বারা চালিত হয় না তাকেই প্রতিবর্ত ক্রিয়া বলে।
খ. হরমোন কীভাবে কাজ করে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : যে বস্তুটি কোষে উৎপন্ন হয়ে উৎপত্তি স্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে তাই হরমোন। উদ্ভিদের সকল কাজ নিয়ন্ত্রণ ও কার্য সম্পাদনে হরমোন কাজ করে। উদ্ভিদের যেসব হরমোন পাওয়া যায়, তাহলো- অক্সিন, জিব্বেরেলিন ও সাইটোকাইনিন।অক্সিন ও অন্যান্য হরমোন শাখাকলমে মূল উৎপাদন সাহায্য করে। ইন্ডোল অ্যাসোটিক এসিড ক্ষতস্থান পূরণে সাহায্য করে। অক্সিন প্রয়োগে শাখা কলমে মূল গজায়, ফলের অকাল ঝরেপড়া রোধ করে।
ক. রেচন পদার্থ কী?
উত্তর : রেচন পদার্থ: নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ যেগুলো দেহের জন্য ক্ষতিকর ও অপ্রযোজনীয় তাদের রেচন পদার্থ বলে।

খ. মানব দেহের বিষাক্ত পদার্থগুলো নিষ্কাশনের প্রক্রিয়া বর্ণনা কর।
উত্তর : মানবদেহের বিষাক্ত পদার্থ হলো- কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া,পানি প্রভৃতি। বিপাকের ফলে পানি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া প্রভৃতি দুষিত পদার্থ দেহে তৈরি হয়। এ সকল বর্জ্য পদার্থ প্রধানত নি:শ্বাস বায়ু, ঘাম এবং মূত্রের সাথে দেহ থেকে নিষ্কাষিত হয়। ফুসফুস, চর্ম ও বৃক্ক এই তিনটি রেচন অঙ্গ। কার্বন-ডাই-অক্সাইড ফুসফুসের মাধ্যমে, লবণ জাতীয় ক্ষতিকর পদার্থ চর্মের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। বৃক্কের মাধ্যমে দেহের নাইট্রোজেনযুক্ত তরল, দুষিত পদার্থ পরিত্যক্ত হয়। মূত্রের মাধ্যমেই দেহের শতকরা আশি ভাগ নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য বের হয়।
ক. অ্যাটোমোস অর্থ কী ?
উত্তর : অ্যাটোমোস শব্দের অর্থ অবিভাজ্য।
খ. আইসোটোপ বলতে কী বুঝ?
উত্তর : আইসোটোপ: যে সব মৌলের পারমানবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরৈ ঐ মৌলের আইসোটোপ বলে। আইসোটোপসমূহের রাসায়নিক ধর্ম একই থাকে।
হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ আছে। যথা-
হাইড্রোজেন, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম।
প্রকৃতিতে বিভিন্ন আইসোটোপ বিভিন্ন পরিমাণে বিদ্যমান থাকে।
ক. কার্বনের আইসোটোপ কয়টি?
উত্তর :. কার্বনের আইসোটোপ তিনটি।
খ. ক্যাটায়ন বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : ক্যাটায়ন বলতে ধনাত্নক আধানযুক্ত আয়নকে বোঝায়। কোনো নিরপেক্ষ পরমাণু যখন এক বা একাধিক ইলেকট্রন বর্জন করে, তখন তা ধনাত্নক আধানযুক্ত আয়ন তথা ক্যাটায়নে পরিণত হয়। ক্যাটায়নে প্রোটনের তুলনায় ইলেকট্রনের সংখ্যা কম থাকে। যেমন- নিরপেক্ষ Na পরমাণুতে ১১টি ইলেক্ট্রন এবং ১১টি প্রোটন থাকে। কিন্তু যখন এটি ১টি ইলেকট্রন বর্জন করে ক্যাটায়নে পরিণত হয়, তখন প্রোটন সংখ্যা স্থির থাকলেও ইলেকট্রন সংখ্যা হয় ১০।
Na Na+ + e-
ক. অভিকর্ষ কী?
উত্তর : অভিকর্ষ : পৃথিবী এবং অন্য যে কোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ থাকে তাকে অভিকর্ষ বলে।
খ. ভর ও ওজনের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর : ভর ও ওজনের মধ্যে পাথক্য:
ভর
ওজন
১. বস্তুর ভর হলো বস্তুতে অবস্থিত মোট পদার্থের পরিমাণ।
১. বস্তুর ওজন হলো বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল।
২. স্থানভেদে বস্তুর ভরের কোন পরিবর্তন হয় না।
২. স্থানভেদে বস্তুর ওজন পরিবর্তিত হয়।
৩. ভরের একক কিলোগ্রাম
৩. ওজনের একক নিউটন।

ক. অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কোন অ লে সবচেয়ে কম?
উত্তর : অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম হয় বিষুবীয় অ লে।

খ. অভিকর্ষজ ত্বরণ ও মহাকর্ষ ধ্রুবকের মধ্যে পার্থক্য লেখ।
উত্তর : নিচে অভিকর্ষজ ত্বরণ ও মহাকর্ষ ধ্রুবকের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করা হলো-
অভিকর্ষজ ত্বরণ
মহাকর্ষ ধ্রুবক
১.অভিকর্ষজ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। এর গড় মান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড২
১. এক কিলোগ্রাম ভরের দুটি বস্তু এক মিটার দূরত্বে স্থাপন করলে এরা পরস্পরকে যে বল দ্বারা আকর্ষণ করে তাকে মহাকর্ষ ধ্রুবক বলে। একে এ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
২. স্থানভেদে এর মান পরিবর্তিত হয়।
২. স্থানভেদে এর মান পরিবর্তিত হয় না।
৩. এর একক মিটার/ সেকেন্ড২
৩. এর একক মিটার২/ কিলোগ্রাম২

ক. মহাকর্ষ কাকে বলে?
উত্তর : মহাকর্ষ: মহাবিশ্বের সকল ব¯তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বলে।
খ. লিফটে উপরে ওঠার সময় ভারী অনুভব হয় কেন?
উত্তর : আমরা যখন কোনো স্থির লিফটে দাঁড়াই তখন আমরা লিফটের মেঝের উপর আমাদের ওজনের সমান বল প্রয়োগ করি, লিফটও আমাদের উপর ওজনের সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া বল প্রয়োগ করে-আমরা আমাদের ওজনের অস্তিত্ব টের পাই। কিন্তু লিফট যদি উপরের দিকে উঠতে থাকে তখন স্থির অবস্থান থেকে উপরের দিকে যাত্রা করায় লিফটটির উপরের দিকে একটি ত্বরণ সৃষ্টি হয় ফলে লিফটের সাপেক্ষে আমাদের ত্বরণ g এর চেয়ে বেশি হয় হয় কাজেই ভারী মনে হয়।
ক. প্রশমন বিক্রিয়া কী?
উত্তর : যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় একটি এসিড ও একটি ক্ষরকের সংযোগে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয় তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে।
খ. লাইম ওয়াটার বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : পানিতে ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড [Ca(OH)2] এর সম্পৃক্ত দ্রবণেই চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার বলে। চুনের সাথে কুইক লাইমের জলীয় দ্রবণ তথা লাইম ওয়াটার উৎপন্ন হয়।
CaO + H2O Ca(OH)2
ক. শুষ্ক কোষ কী ?
উত্তর : যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে তড়িৎ বিশ্লেষ্যরূপে তরলের পরিবর্তে ঘঐ৪ঈষ, গহঙ ২ এবং স্টার্চ মিশ্রিত কাই ব্যবহার করা হয় তাকে শুষ্ক কোষ বলে।
খ. সংযোজন বিক্রিয়া বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : ‡h cÖwµqvq একের অধিক পদার্থ একত্রিত হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নতুন একটি রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে তাকে সংযোজন বিক্রিয়া বলে। একইভাবে জিংক ও সালফারের বিক্রিয়ায় জিংক সালফাইড তৈরির বিক্রিয়াও সংযোজন বিক্রিয়া।
Zn + S
——>
ZnS
ক. বিদ্যুৎ বর্তনী কী?
উত্তর : বিদ্যুৎ প্রবাহ চলার সম্পূর্ণ পথকে বিদ্যুৎ বর্তনী বলে।

খ. ওহমের সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : ওহমের সূত্র: তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো নির্দিষ্ট পরিবাহকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের মান পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের মানের সমানুপাতিক। ওহমের সূত্র থেকে এটা সহজেই বলা যায় যে, পরিবাহকে দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য বেশি থাকলে তড়িৎ প্রবাহের মাত্রা বেশি হবে। আবার এই বিভব পার্থক্য কম থাকলে তড়িৎ প্রবাহ কম হবে (চিত্র ৯.৪ )।
কোনো পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V, এর রোধ R এবং তড়িৎ প্রবাহ I হলে

তড়িৎ প্রবাহ I =V/R
সুতরাং কোনো নির্দিষ্ট পরিবাহকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিবাহকের নিজস্ব রোধের ব্যস্তানুপাতিক।
K. Pz‡bi cvwbi ivmvqwbK bvg Kx?
উত্তর :. Pz‡bi cvwbi ivmvqwbK bvg-K¨vjwmqvg nvB‡Wªv·vBW|
L. wgé Ad jvBg ej‡Z Kx †evSvq?
উত্তর : cvwb I K¨vjwmqvg nvB‡Wªv·vB‡Wi ˆZwi †có‡K wgé Ad jvBg e‡j|
K. µvwšÍ †KvY Kv‡K e‡j?
উত্তর :. Av‡jvKiwk¥ Nbgva¨g †_‡K nvjKv gva¨‡g Zxh©Kfv‡e hvIqvi mgq AvcZb †Kv‡Yi †h gv‡bi Rb¨ cÖwZmwiZ iwk¥ gva¨g؇qi we‡f` Zj †Nu‡l hvq, A_©vr cÖwZmiY †Kv‡Yi gvb 90 wWwMÖ nq| Nb gva¨‡gi †mB wbw`©ó AvcZb †KvY‡K ঐ `yB gva¨‡gi µvwšÍ‡KvY e‡j|
L. Av‡jvKiwk¥ w`K cwieZ©b K‡র †Kb? e¨vL¨v Ki|
উত্তর : Av‡jvi MwZc_ wbf©i K‡i gva¨‡gi Nb‡Z¡i Dci| `ywU gva¨‡gi NbZ¡ KL‡bvB GK nq bv| †Kv‡bv gva¨‡g NbZ¡ †ewk Avevi †Kvb gva¨‡g NbZ¡ Kg nq| gva¨‡gi Nb‡Z¡i wfbœZvi Kvi‡YB wfbœ gva¨‡g Av‡jv MwZc_ cwieZ©b K‡i|
K. AcwUK¨vj dvBevi Kv‡K e‡j?
উত্তর :. gvby‡li Pz‡ji b¨vq wPKb, bgbxq Ges miæ KvuPZš‘‡K AcwUK¨vj dvBevi e‡j|
L. Av‡jvi cÖwZd‡ji `ywU wbqg wjL|
উত্তর : Av‡jvi cÖwZd‡‡bi `ywU wbqg-
1. AvcwZZ iwk¥, AvcZb we›`y‡Z Aw¼Z Awfj¤^ Ges cÖwZdwjZ iwk¥ GKB mgZ‡j _v‡K|
2. AvcZb †KvY Ges cÖwZdjb †Kvb me©`v mgvb nq|