ডাকবাংলার অটো রাইচ মিলের গরম পানিতে কৃষক ক্ষতি গ্রস্ত কতৃপক্ষ নিরব ! জেলা প্রশাসকের নেক দৃষ্টি কামনা


অথর
সাইফুল ইসলাম, ডাকবাংলা প্রতিনিধি   ঝিনাইদহ, খুলনা
প্রকাশিত :১৮ জুন ২০১৯, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
ডাকবাংলার অটো রাইচ মিলের গরম পানিতে কৃষক ক্ষতি গ্রস্ত কতৃপক্ষ নিরব ! জেলা প্রশাসকের নেক দৃষ্টি কামনা

ঝিনাইদহ শহর থেকে প্রায় ১৫ কি,মি পশ্চিমে এই ডাকবাংলা ত্রিমহনী অবস্থিত। বলা চলে এটা একটা জেলার একটি মিনি শহর। এখানে আছে হাজারও মানুষের কর্মস্থল। শত শত চাতাল,তার সাথে আছে রাইচ মিল,বাচাই মিলসহ আরো অনেক অটো রাইচ মিল। চাতাল,বাচাই মিল ও রাইচ মিলে কারও কোন ক্ষতি না হলেও ব্যাপক ক্ষতির মধ্যে পড়তে হচ্ছে দেশের প্রাণ কৃষকেরা। ডাকবাংলা ত্রিমহনীর কয়েকটি অটো রাইচ মিলের গরম পানিতে শত শত কৃষকের স্বপ্ন বিলিন হতে চলেছে। এলাকার কৃষকেরা মিল মালিকদের একাধীক বার বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তারা কোন কর্নপাত করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের এক মাত্র সম্বল হলো তাদের জমির ধান কিন্তু এক শ্রেনীর অর্থলোভী মিল

মালীকরা নিজেদের সার্থের জন্য কৃষকদের বুকে আঘাত দিতে দিধা করছে না।অথচ রেড়ি টেলিভিষনে কৃষকের নিয়ে অনেক বড় বড় স্বপনের কথা শোনা যাই কর্তব্য ব্যাক্তিদের মুখে। এ বিষিয় সাধুহাটি উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মিলন ঘোষ জানান,কৃষকদের কাছে বিষয়টি আমি শুনেছি অটো রাইচ মিলের পানির কারণে কৃষকদের ধানের জমি নষ্ট হচ্ছে। আবার কিছু লোক পুকুর করে অটোর পানি ফেলার জায়গা করে দিয়েছে। হাজী ইসরাফিল জানান, দীর্ঘ দিন ধরে অটোর পানির কারণে আমাদের জমি নষ্ট হচ্ছে। মকলেসুর রহমান তরুন মিয়া বললেন আমরা মাঠের কৃষকরা মিলে বাঁধ দিয়েছি কিন্তু এতেও রক্ষা পায় নি,প্রভাব শালী মহল আমাদের কৃষকদের কথা থোড়াই কেয়ার করে না। এদিকে সাধুহাটি ইউনিয়নের

চেয়ারম্যান কাজী নাজির উদ্দীন জানান, বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার মাঠের চাষীরা আমার কাছে এসেছিলো আমি চেষ্টাও করেছিলাম কিন্তু কোন কাজ হয় নি,তবে কৃষকদের পক্ষ থেকে আমি জেলা প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি করবো বিষয়টির আমলে নেওয়ার জন্য। এদিকে মিল মালিক আব্দুল গনি মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার ইচ্ছা আছে পুকুর করে অটোর পানি ধরে রাখার,পাশে একটা জমির মালিকের সাথে কথা হয়েছে জমিটা পেলেই কাজ শুরু করবো।