তাড়াশে আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত ১৫


অথর
মোঃ জাহিদুল ইসলাম তাড়াশ উপজেলা প্রতিনিধি   সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী
প্রকাশিত :৯ অক্টোবর ২০১৯, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
তাড়াশে আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত ১৫

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই দলের মধ্যে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের দিঘী সগুনা গ্রামে। পরে তাড়াশ থানার একদল পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। এদিকে আহতদের মধ্যে ১০জন কে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাড়াশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ সহ বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে স্থানান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি তাড়াশ থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে দিঘীসগুনা গ্রামের ইউপি সদস্য সেন্টু হোসেন ও একই গ্রামের জিয়া উদ্দিনের মধ্যে দিঘীসগুনা বাজারে একটি দোকানে বসাকে

কেন্দ্র করে উভয়ের প্রথমে মধ্যে বাগ-বিতন্ডা হয়।পরে ইউপি সদস্য সেন্টু হোসেন জিয়াকে কিলঘুষি মারলে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে বিকালে ৩টার দিকে দিঘীসগুনা বাজারে জিয়া , ইদ্দিস আলীর প্রায় ১৮-২০জন গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে রড,হাসুয়া, লাঠিসোটা নিয়ে ওই দোকান জাহাঙ্গীরের দোকানে ঢুকে তাকে পেটাতে থাকে। এ খবর পেয়ে সেন্টুর লোকজন সেখানে উপস্থিত হলে উভয়পক্ষের মধ্য রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে উভয়পক্ষের জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৫), আলাউদ্দিন (৪৫), আজাহার আলী (৫৫), আবু জাফর(৫০) মহির উদ্দিন (৫৫) আফাজ উদ্দিন (৬৫), আশরাফুল ইসলাম (৩০), সেন্টু হোসেন (৩৪) জুবায়ের হোসেন (২৮)সহ ১৫ ব্যাক্তি গুরুত্বর আহত হন। এ সময় খয়বার হোসেনের বাড়ি, ও জাহাঙ্গীরের দোকানে হামলা করে

ব্যাপক লুটপাটের ঘটনা ঘটে।এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এছাড়া আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ মামলা করতে থানায় আসেনি।