নীলফামারীতে রাস্তায় ধানের চাড়া লাগিয়ে পাকা করণের দাবী


অথর
মোঃ নাঈম শাহ্ সংবাদদাতা   নীলফামারী, রংপুর
প্রকাশিত :১৭ আগস্ট ২০১৯, ৪:৪২ অপরাহ্ণ | পঠিত : 66 বার
নীলফামারীতে রাস্তায় ধানের চাড়া লাগিয়ে পাকা করণের দাবী

কাঁদা নর্দমা যাতায়াতের অনুপোযোগী কাঁচা রাস্তাটি পাকা করণের দাবীতে গতকাল সকাল ১০টায় পথচারী ও এলাকাবাসিগণ রাস্তায় ধানের চাড়া রোপন করে রাস্তা পাকা করণের দাবী জানান। নীলফামারী সদর লক্ষীচাপ ইউনিয়নের সহদেব বড়গাছা গ্রাম হতে ঐতিয্যবাহী রামগঞ্জ হাট গ্রামীনব্যাংক মোড় পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তাটির বেহাল দশা। দেখার কেউ নেই। ১০ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ কাঁচা রাস্তাটি। ওই এলাকার মানুষের জেলা শহড়ে যাতায়াতের একমাত্র উপায় এই কাঁচা রাস্তাটি। প্রতিদিন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করে থাকেন এই রাস্তা দিয়ে। সহদেব বড়গাছা, নৃসিংহ, কচুয়া,দাঁড়িহারা, অচিনতলা, চৌরঙ্গী গ্রাম সহ অন্যান্য গ্রামের বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, জীবন জীবিকার তাগিদে

নীলফামারী জেলা শহড়ে প্রতিদিন যাতায়াতের ভরসা এই কাঁচা রাস্তাটি, সাধারণ মানুষ, স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং ব্যবসায়ীদের মালামাল ও ভারী যানবাহনের জন্য রাস্তাটি যেন মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষার সময় ভাঙ্গা গর্ত, কাদা,নর্দমা আর পানি দিয়ে রাস্তা চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে থাকে। আর গ্রীষ্মের সময় ধূলা বালি নোংরা আবর্জনা খানাখন্দে পথচারীরা দূর্ভোগে যাতায়াত করেন। চৌরঙ্গী স্কুল এ্যান্ড কলেজ, রামগঞ্জ স্কুল এ্যান্ড কলেজ, দুবাছুরি মাদ্রাসা, রামগঞ্জ হাটে কৃষিপণ্য, শাকসবজী, ও ধান-চালের আমদানি রপ্তানির ভরসাই এই রাস্তাটি। পথচারী মিলন মিয়া, রাকিবুল ইসলাম, সানোয়ার হোসেন বলেন, আমরা অনেক কষ্ট ও ঝুঁকি নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে থাকি, প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পরেন পথচারীরা। লক্ষীচাপ

ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, রাস্তাটি অনেক খারাব এবং ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাটি পাকা করনের জন্য চেষ্টা চলছে। নীলফামারী সদর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম বলেন,আমরা জরুরী ভিত্তিতে চেষ্টা করব চলতি বছরে রাস্তাটি পাকা করার জন্য। এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: বেলাল হোসেন বলেন আমার রাস্তাটি সম্পর্কে জানা নেই,আমি জেনে শুনে ব্যবস্থা নিব।