পাবনার আতাইকুলায় ৪ জনকে পিটিয়ে আহত মামলা উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে।


অথর
কামরুল ইসলাম   পাবনা, রাজশাহী
প্রকাশিত :৯ অক্টোবর ২০১৯, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
পাবনার আতাইকুলায় ৪ জনকে পিটিয়ে আহত মামলা উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে।

পাবনার আতাইকুলায় পশ্চিম বনগ্রামে গভীর নলকুপের পানি বন্টনের টাকা নিয়ে বিরোধে এক মহিলাসহ ৩জনকে পিটিয়ে জখম করার ঘটনায় আহত তিন জনের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ আমলে নিয়েছে থানা পুলিশ । এদিকে আহতরা মারাত্মক জখমি হওয়া সত্ত্বেও পরোয়ানা মাথায় নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে । জানা যায় গত ০৪/১০/১৯ ইং তারিখে একই গ্রামের ১।জামিল আজাদ মুকুল (৪০) পিতা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মাষ্টার, ২। মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ (৪৫ ), ৩।মহম্মদ নান্নু মন্ডল উভয় পিতা-মৃত হাতেম আলী মন্ডল, ৪।মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মাস্টার (৬০) পিতা মৃত মোতাহার আলী মন্ডল, ৫।সুমন হোসেন ( ২২) পিতা মোঃ বাদশা শেখ অত্যান্ত পরিকল্পিতভাবে লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে

মিজানুর রহমান শিপন (৪৩) কে বাম হাত ভেঙ্গে ফেলে ও তার স্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম রজব আলী খানের কন্যা মরিয়ম বেগম মদিনা (৩২) কে মাথায় দা দিয়ে কোপ দিয়ে মারাত্মক জখম করে। ফখরুল ইসলামকে (৩৮) লোহার হাতুড়ি দিয়ে মাথার পিছনে আঘাত করে এবং তরিকুল ইসলামকে লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে জখম করে। গুরুতর আহত মদিনা খাতুনকে প্রথমে পাবনা পরে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। আতাইকুলা থানা সূত্রে জানা যায় আতাইকুলায় পশ্চিম বনগ্রাম গ্রামে স্থানীয় ১৫ জন মিলিত হয়ে একটি গভীর নলকুপ স্থাপন করেন। ওই নলকুপের পানি সাপ্লাই করে টাকার বিনিময়ে এলাকায় দেয়া হয়। পানি সাপ্লাইয়ের

টাকা উত্তোলনের দায়িত্ব না থাকলেও সদস্য জাহাঙ্গীর মাষ্টার নিজ ইচ্ছামত প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক গ্রাহকের নিকট থেকে টাকা উত্তোলন করে খরচ করেন। এ নিয়ে অন্য সদস্যদের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। অন্য সদস্যরা গত শুক্রবার পানির ট্যাংকি পরিস্কার করেন। ওই দিন দুপুরে পানি প্রবাহ করতে মেশিন ঘরের চাবি নিয়ে তর্কাতর্কীর এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পশ্চিম বনগ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে জামিল আজাদ মুকুল, হাতেমের ছেলে ওয়াদুদ, নান্নু, বাদশার ছেলে সুমনসহ কয়েকজন মিলে ওই গভীর নলকুপের সভাপতি একই গ্রামের আমজাদের ছেলে মিজানুর রহমান শিপন, তার স্ত্রী মরিয়ম বেগম মদিনা, ভাই ফকরুল ইসলাম ও ভাই তরিকুলকে পিটিয়ে যখম করে। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাদের উদ্ধার করে

আহত অবস্থায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। মিজানুর রহমান শিপনের স্ত্রী মরিয়ম বেগম (মদিনার) অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজন অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিক্যালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঘটনায় তরিকুল বাদী হয়ে আতাইকুলা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তরিকুল জানান, আমার ভাই-ভাবি মারাত্মক আহত হলেও উল্টো আমাদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে আতাইকুলা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।