বাগেরহাটে ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক-ন্যয্য মূল্য থেকে বঞ্চিত


অথর
শেখ মাসুম বিল্লাহ জেলা প্রতিননিধি   বাগেরহাট, খুলনা
প্রকাশিত :১৫ মে ২০১৯, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
বাগেরহাটে ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক-ন্যয্য মূল্য থেকে বঞ্চিত

বাগেরহাটে বোরো ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছে কৃষকরা। ৯৮ শতাংশ কৃষকদের ধান কাটা ও মাড়াই সম্পন্ন হলেও সরকারি ভাবে এখনও ধান ক্রয় শুরু করতে পারেনি খাদ্য বিভাগ। বাধ্য হয়ে উৎপাদন খরচের থেকে কম দামে মিল মালিক ও ব্যবসায়ীদের কাছে ধান বিক্রি করছে কৃষকরা। লোকসান হওয়ায় অনেক কৃষকই ধান চাষের আগ্রহ হারাচ্ছেন। কৃষকরা বলেন, প্রতি মন ধান বিক্রি করছি ৪‘শ ৪০ থেকে ৬‘শ ৫০ টাকা। কিন্তু জমিতে ধান রোপন, আগাছা পরিস্কার, সার-কিটনাশক প্রয়োগ, ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলায় প্রতি মন ধানে কৃষকদের যে খরচ হয় তাও বিক্রি করতে পারছি না।
৬ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। ৭০ হাজার টাকার মত খরচ

হয়েছে। ৪‘শ ৫০ টাকা করে ধান বিক্রি করলে আমার খরচের টাকা উঠে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের জন্য শ্রমিকদের টাকা বাড়ি থেকে এনে দিতে হবে। ধানের দাম এত কম থাকলে, ধান চাষ বন্ধ করে দিতে হবে। প্রয়োজনের তাগিদে ১২ থেকে ১৫ টাকায় ধান বিক্রি করে ৪৫ টাকা চাল কিনে খেতে হয়। কি হবে এত কষ্ট করে ধান চাষ করে। বোরো মৌসুমে জেলায় ৫৬ হাজার হেক্টর জমিতে মোট ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৯‘শ ৩০ মে. টন ধান উৎপাদন হয়েছে। তবে সরকারি ভাবে ধান ক্রয় করা হবে মাত্র ১ হাজার ৮‘শ ৫৫ মে. টন। যার ফলে সকল কৃষক সরকারের কাছে ধান বিক্রির সুযোগ

পাবেন না। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আফতাব উদ্দিন বলেন, জেলায় ৫৬ হাজার হেক্টর জমিতে মোট ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৯‘শ ৩০ মে. টন ধান উৎপাদন হয়েছে। জেলায় ২ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬৭ জন কৃষককে আমরা কৃষি কার্ড দিয়েছি। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটি কৃষি কার্ড প্রাপ্ত কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করবেন। সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি।

No Comment.