বার্সাকে হারিয়ে ফাইনালে অ্যাটলেটিকো


অথর
ফুটবল ডেক্স   ক্রীড়া অঙ্গন
প্রকাশিত :১১ জানুয়ারি ২০২০, ২:৪০ অপরাহ্ণ
  • 2
    Shares
বার্সাকে হারিয়ে ফাইনালে অ্যাটলেটিকো

স্প্যানিশ সুপারকোপার ফাইনালে শহর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের মুখোমুখি হবে রিয়াল মাদ্রিদ। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের শেষদিকে পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুবার জালে বল জড়িয়ে বার্সেলোনাকে হারিয়ে শিরোপার মঞ্চে পা রেখেছে অ্যাটলেটিকো।অ্যাটলেটিকোর হয়ে গোল তিনটি করেন কোকে, আলভারো মোরাতা ও অ্যাঙ্গেল কোরেয়া। বার্সার পক্ষে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন লিওনেল মেসি ও আঁতোয়া গ্রিজমান। ম্যাচের সবগুলো গোলই হয় বিরতির পর। চারদলের প্রতিযোগিতার প্রথম সেমিফাইনালে বুধবার ভ্যালেন্সিয়াকে ৩-১ গোলে হারায় রিয়াল মাদ্রিদ।নতুন নিয়মে চারদল নিয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত স্প্যানিশ সুপারকোপার ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী রোববার। রিয়াল-অ্যাটলেটিকো লড়াই শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় (১৩ জানুয়ারি)।সেমিফাইনালে অসাধারণ এক জয় পেয়েছে ডিয়েগো সিমিওনের অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। সৌদি আরবের

কিং আব্দুলস্নাহ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার রাতে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বার্সেলোনার বিপক্ষে ৩-২ গোলে জিতেছে মাদ্রিদের দলটি।ম্যাচের শুরু থেকে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ তৈরি করা বার্সেলোনা ২২তম মিনিটে পায় প্রথম সুযোগ। জর্দি আলবার সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে মেসির নেয়া শট ক্ষিপ্রতায় রুখে দেন গোলরক্ষক জ্যান ওবলাক। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই এগিয়ে যায় অ্যাটলেটিকো। অ্যাঞ্জেল কোরেয়ার ডি-বক্সে বাড়ানো বল ধরে দ্বিতীয় ছোঁয়ায় নিচু শটে গোলটি করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার কোকে। তাদের এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। পাঁচ মিনিট পর মেসির নৈপুণ্যে সমতায় ফেরে বার্সেলোনা। সুয়ারেজের ছোট পাস ধরে দুজনের মধ্যে দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ডান পায়ের শটে কাছের পোস্ট দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন আর্জেন্টাইন

তারকা।৫৯তম মিনিটে আবারো জালে বল পাঠিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু নিয়ন্ত্রণে নেয়ার ফাঁকে বল তার হাতে লাগায় ভিএআরের সাহায্যে গোল বাতিল করেন রেফারি। তিন মিনিট পর অবশ্য ঠিকই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। আলবার ক্রসে সুয়ারেজের হেড ঝাঁপিয়ে ঠেকান গোলরক্ষক, কিন্তু বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বল লাফিয়ে হেডে ফাঁকা জালে পাঠান গ্রিজমান। ৬৬তম মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারত। কিন্তু সুয়ারেজের জোরালো শট ঝাঁপিয়ে রুখে দেন ওবলাক। ৭৫তম মিনিটে জালে বল পাঠান পিকে; তবে এবার ভিএআরের সাহায্যে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি। ৮১তম মিনিটে মোরাতার সফল স্পট কিকে সমতায় ফেরে অ্যাটলেটিকো। পাল্টা আক্রমণে একা ডি-বক্সে ঢুকে পড়া ভিতোলোকে ঠেকাতে গিয়ে গোলরক্ষক নেতো ফাউল করে বসলে পেনাল্টিটি পায়

সিমিওনের দল। আর ৮৬তম মিনিটে পার্থক্য গড়ে দেন কোরেয়া। মাঝমাঠের কাছ থেকে বল ধরে দ্রম্নত এগিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে জোরালো শটে গোলটি করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। নেতো বলে হাত লাগালেও রুখতে পারেননি।ডিসেম্বরে লা লিগায় অ্যাটলেটিকোর মাঠে মেসির শেষ দিকের গোলে জিতেছিল বার্সেলোনা। এবারো দলকে পথ দেখালেন অধিনায়ক; কিন্তু শেষটা সুখকর হলো না। এই নিয়ে নতুন বছরে দুই ম্যাচ খেলে জয়শূন্য রইলো কাতালান ক্লাবটি। গত শনিবার এস্পানিওলের মাঠে শেষদিকে গোল খেয়ে ২-২ ড্র করেছিল আর্নেস্তো ভালভার্দের শিষ্যরা।