বিগত ১০ বছরে এক হাজারেরও বেশি বিচারক নিয়োগ হয়েছে : আইনমন্ত্রী


অথর
ডোনেট বাংলাদেশ ডেক্স   আইন ও আদালত
প্রকাশিত :১ জুলাই ২০১৯, ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ
বিগত ১০ বছরে এক হাজারেরও বেশি বিচারক নিয়োগ হয়েছে : আইনমন্ত্রী

বিচার কাজে গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারের বিশেষ উদ্যোগে বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ২০০৮ সাল থেকে এই পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ও হাইকোর্ট বিভাগে মোট ১০০ জন বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার ২০০৯ সাল থেকে এই পর্যন্ত অধস্তন আদালেতে মোট ৮৭৬ জন সহকারী জজ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আরো ৯৯ জন সহকারী জজ নিয়োগের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। এছাড়া আইন ও বিচার বিভ্গা থেকে পরবর্তীতে আরও ১০০ জন সহকারী জজ নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বরাবর চাহিদা পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে রংপুর-১ আসনের এমপি মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

এই তথ্য জানান।

চট্টগ্রাম-৪ এর এমপি দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়ে সারাদেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫১টি। ৬৪ জেলার এ সংক্রান্ত বিচারাধীন মামলার মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ মামলার সংখ্যা ১৩ হাজার ৭৭৭টি এবং সবচেয়ে কম মামলা রয়েছে খাগড়াছড়ি জেলায় ৩৬২টি।

ভোলা-৩ এর এমপি নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, সারাদেশের সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় সর্মহে আধুনিকায়নের পরিকল্পনা সরকার রয়েছে। দলিল নিবন্ধনের শত বছরের পুরনো পদ্ধতির অবসান ঘটিয়ে আধুনিকায়নের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে কুমিল্লা ও যশোরে ৫টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেকর্ড রুম ডিজিটাইজেশন পদ্ধতি চালু করা

হবে, যা সফটওয়্যার প্রস্তুত পর্যায়ে রয়েছে। রেজিস্ট্রি অফিসমূহে দলিল রেজিস্ট্রির কাজ আধুনিয়কায়নসহ কম্পিউটারাইজড করার কার্যক্রম ‘স্বল্প সময়ের’ মধ্যে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

জামালপুর-১ এর এমপি আবুল কালাম আজাদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন আদালতে বিচারধীন মামলার সংখ্যা ৩৫ লাখ ৮২ হাজার ৩৪৭টি। বিচারধীন মামলাগুলো নিষ্পত্তির জন্য বিভিন্নমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এমপির অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রচলিত আইনের মোট সংখ্যা (১৭৯৯ থেকে ২০১৯ সালের ১০ জুন পর্যন্ত) ১ হাজার ১৪৮টি।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুসহ সপরিবারে নিহতদের বিচার ব্যবস্থা বন্ধে খুনি খন্দকার মোশতাক আহমেদ ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে। পরবর্তীতে

জিয়া ও এরশাদ এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুন সুযোগ্য কন্যা ক্ষমতায় এসে বিচার প্রক্রিয়া এবং আপীল শুনারূ শেষে হত্যাকারীদের সাজা ইতিমধ্যে কার্যকর করেছে। তবে, যেসব খুনি বিভিন্ন দেশে পালিয়ে এবং আশ্রয় গ্রহণ করে আছে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার সকল প্রকার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।