রোজার সময় কেমন খাবার খাওয়া উচিৎ


অথর
ডোনেট বাংলাদেশ ডেক্স   স্বাস্থ্য কথন
প্রকাশিত :৬ মে ২০১৯, ৫:৩৮ পূর্বাহ্ণ
রোজার সময় কেমন খাবার খাওয়া উচিৎ

বছর ঘুরে ফের চলে এসেছে রমজান মাস। পবিত্র এই মাসে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা বদলে যায়। খাবার-দাবারে আসে ব্যাপক পরিবর্তন। সেহরি ও ইফতারে থাকে ভিন্ন ভিন্ন পদ। কিন্তু কেমন হবে রোজার খাবার তা জেনে নিন এখনই।

খাবার

রোজার মাসে নিয়মতান্ত্রিক জীবন থেকে সরে এসে আর একটি নতুন রুটিন মানা হয়। তাই সবচেয়ে বেশি নজর দেয়া উচিত খাবারের প্রতি। সারাদিন না খেয়ে থাকতে হয়। ভোররাতে সেহরি আর দীর্ঘ সময় পর ইফতারি।

এই ইফতার বা সেহরিতে ঘরে তৈরি খাবার খাওয়া ভাল। রোজা রাখার পর শরীরের চাহিদা অনুযায়ী সুষম খাবার খেতে হবে। শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাবার পরিমিত পরিমানে খেতে হবে।

অনেকে সেহরি এবং ইফতার করেন কিন্তু

রাতের খাবার খান না। এটা ঠিক নয়, সব খাবারই সমান পরিমানে খেতে হবে।

খাবারের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের জন্য পানিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য দিনে দুই থেকে আড়াই লিটার পানি দরকার। সারাদিন রোজা থাকা হয়, তাই বাকি সময় পানির এ অভাবটা পূরণ করতে হয়।

ইফতারের সময় খেজুর হতে পারে ইফতারের একটি অন্যতম খাবার। কারণ খেজুর হচ্ছে চিনি, ফাইবার, শর্করা, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়ামের অন্যতম উৎস।

২-৩টা খেজুরই শরীরকে সতেজ করতে পারে। ঠাণ্ডা পানি বা লেবুর শরবত বেশ উপকারী। এছাড়া ভিজানো চিড়ায় সামান্য চিনি মিশিয়ে শরবত বানিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

বেল বা দই দিয়ে তৈরি শরবতও শরীরের জন্য উপকারী। ডাবের পানি পান করতে পারলে ভাল।

যে কোনো ফল ইফতারে খেতে পারেন। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এ সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। ইফতারে মিষ্টি জাতীয় খাবার খাবেন না।

শরবতের বদলে পাতলা দুধ বা অল্প পরিমান ডাবের পানি খেতে পারেন। তেমনি সেহরিতেও কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এ সময় শর্করা জাতীয় খাবার গ্রহণ করা উচিত। কারণ শর্করা জাতীয় খাবার হজম হতে ৮ ঘণ্টা সময় লাগে। ফলে দিনের বেলা খিদে কম অনুভূত হয়।

এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে ভাত, আটা ও ময়দা। এর সঙ্গে মাছ বা মাংস ও সবজি খেতে পারেন। এছাড়া রয়েছে রান্না করা ডিম, ডাল ও দুধ। আর বেশি করে পানি পান করতে হবে।

সন্ধ্যা রাতের খাবার হালকা হওয়াই ভাল। এতে সেহরি খাওয়ার ইচ্ছাও থাকবে। ইফতারিতে ডালের পদ বেশি থাকে বলে যথেষ্ট প্রোটিন পাওয়া যায়। এ জন্য সন্ধ্যা রাতের খাবারে ডাল বাদ দিলে ভাল হয়। মাংসের চেয়ে হালকা মসলাসহ যে কোনো বড়-ছোট মাছ খেলে ভাল হয়। যে কোনো ধরনের ভর্তা খেলেও খাবারে রুচি আসবে।

No Comment.