শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবীতে দেশব্যাপী ফোরামের সংবাদ সম্মেলন


অথর
ডোনেট বাংলাদেশ ডেক্স   শিক্ষা সংবাদ
প্রকাশিত :৫ অক্টোবর ২০১৯, ১০:১১ অপরাহ্ণ
শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবীতে দেশব্যাপী ফোরামের সংবাদ সম্মেলন

বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ এবং এমপিও হতে অতিরিক্ত ৪% কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম (বাবেশিকফো)। ৫ অক্টোবর,২০১৯ (শনিবার) সারাদেশে সংবাদ সম্মেলন এবং আলোচনা সভা করে এই দাবি জানানো হয়। একই সাথে তারা বিশ্ব শিক্ষক দিবসকে রাস্ট্রীয়ভাবে পালনেরও দাবী জানান।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সারাদেশে একযোগে সংবাদ সম্মেলন এবং আলোচনা সভার আয়োজন করে দেশে সর্ববৃহৎ শিক্ষক সংগঠন বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম (বাবেশিকফো)। কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত এই কর্মসূচি জেলা কমিটিগুলো আয়োজনের জন্য পূর্ব হতেই ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। সংবাদ সম্মেলনগুলোতে ফোরামের নেতৃবৃন্দ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের বিভিন্ন বৈষম্যের কথা তুলে ধরেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন-স্বাধীনতার স্থপতি,  জাতির পিতা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর

রহমানের সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছে শিক্ষক সমাজ। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও শিক্ষকদের মর্যাদাশীল করা না গেলে বিদ্যমান বিশৃঙ্খল ও বিপর্যস্ত শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন অসম্ভব। অর্থনৈতিক অবস্থা সচ্ছল না হলে একজন শিক্ষক কাজে আন্তরিকতার সাথে মনোনিবেশ করতে পারেন না। শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণে দেশের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা নেই, সরকারের সদিচ্ছাই যথেষ্ট। শিক্ষকদের জীবনযাত্রার সচ্ছলতা দিতে বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থাকে জাতীয়করণ করা জরুরি। বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় মেধাবীদের শিক্ষকতায় আকর্ষণের কোন সুযোগ নেই। তারা শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে অবিলম্বে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ দাবী করেন। তারা বলেন- মানসম্মত, প্রযুক্তিনির্ভর, গুণগত ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্বমানের শিক্ষার বিকল্প নেই। বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করেন যে, একমাত্র বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের

মাধ্যমেই বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের বৈষম্য দূর করা যায়। তাই এ ব্যাপারে নেতৃবৃন্দ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেন।    

সংবাদ সম্মেলনগুলোতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য মূল বেতনের অতিরিক্ত ৪ শতাংশ চাঁদা কেটে রাখার সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং অবিলম্বে এই অতিরিক্ত কর্তন বন্ধের জোর দাবী জানান।

উল্লেখ্য,এর আগে অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য চার শতাংশ ও কল্যাণে দুই শতাংশ হারে চাঁদা কর্তনের নিয়ম ছিল। নতুন আদেশে তা বৃদ্ধি করে ছয় ও চার শতাংশ করা হয়েছে।


height="225" srcset="http://dainikdonet.com/wp-content/uploads/2019/10/71328432_397436661158618_3161171950777139200_n-1-300x225.jpg 300w, http://dainikdonet.com/wp-content/uploads/2019/10/71328432_397436661158618_3161171950777139200_n-1.jpg 520w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" />

সংবাদ সম্মেলনগুলোতে ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।