শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চলছে।


অথর
মোহাম্মদ দুদু মল্লিক ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি   শেরপুর, ময়মনসিংহ
প্রকাশিত :৩০ এপ্রিল ২০১৯, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চলছে।

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান। তমধ্যে ৯টি ভবনকে অধিকতর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, একটি চার রোম বিশিষ্ট পাকা ভবন। এর দেয়ালে দেয়ালে ফাটল। ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে, রডও বের হয়ে পড়েছে পাকা এই ভবন ১৯৯৩-৯৪ সালে নির্মিত। উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর ভবন গুলোকে ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্যে অনেক আবেদনের পরে ওই ভবনের পাশেই ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে নির্মাণ করা হয়েছে ৩ কক্ষ্য বিশিষ্ট একটি টিনশেড। কিন্তু শ্রেণি কক্ষ্য সংকট ও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষকরা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পরীক্ষা নিচ্ছেন

শিক্ষার্থীদের। এ ভবনেই বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ্য চালাতে হচ্ছে। এমন চিত্র উপজেলার রাংটিয়া আর্দশ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) শাহরিয়ারের দেয়া তথ্য মতে, এই উপজেলায় এমন ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন ১৭টি চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও-শির্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চালাতে হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। যেকোনো সময় প্রাণহানির মতো বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট সংখ্যা ১০১টি।

No Comment.