সুখবর পাচ্ছেন গ্রাম পুলিশরা


অথর
ডোনেট বাংলাদেশ ডেক্স   আইন ও আদালত
প্রকাশিত :৮ জানুয়ারি ২০২০, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
  • 41
    Shares
সুখবর পাচ্ছেন গ্রাম পুলিশরা

সুখবরের পর সুখবর পাচ্ছেন গ্রাম পুলিশরা। সম্প্রতি হাইকোর্ট তাদেরকে জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পদমর্যাদা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও এ নির্দেশ এখনো কার্যকর হয়নি। কিন্তু এরই মধ্যে নতুন করে আরো একটি সুখবর পাচ্ছেন গ্রাম পুলিশের সদস্যরা। শিগগিরই প্রত্যেক সদস্য ১০ টাকা কেজিতে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় বছরের সাত মাস তাদের এ সুবিধা দেয়া হবে। গ্রাম পুলিশের ৪৫ হাজার ৬৯০ সদস্যকে এ সুবিধা দিতে মোট নয় হাজার ৫৯৭ টন চালের প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে ৩২ কোটি ১৪ লাখ তিন হাজার ৫৩০ টাকা। সম্প্রতি এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতি চেয়ে

অর্থ সচিবের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব রায়না আহমদের গত ১ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত প্রস্তাবনায় বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। এটি সরকারের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক একক। ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ বাহিনী ‘স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ)’ গ্রাম পুলিশ বাহিনীর গঠন, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও চাকরির শর্তাবলি সম্বলিত বিধিমালা, ২০১৫ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় বছরে সাত মাস সারাদেশে ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারকে ১০ টাকা কেজিতে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হয়।
খাদ্য মন্ত্রণালয় বলছে, বর্তমানে দেশের চার হাজার ৫৬৯টি ইউনিয়ন পরিষদে একজন করে মোট চার হাজার ৫৬৯ জন দফাদার এবং প্রতি

ইউনিয়নে নয়জন করে মোট ৪১ হাজার ১২১ জন মহল্লাদার নিযুক্ত রয়েছেন। দফাদার ও মহল্লাদারদের মোট সংখ্যা ৪৫ হাজার ৬৯০ জন। ৪৫ হাজার ৬৯০ জন গ্রাম পুলিশকে মাসিক ৩০ কেজি হিসাবে চাল দিলে প্রতি মাসে এক হাজার ৩৭১ টন চাল প্রয়োজন। সাত মাসে মোট চালের প্রয়োজন হবে নয় হাজার ৫৯৭ টন। প্রতি কেজি চালের ক্রয়মূল্য ও অন্যান্য খরচ ধরে ৪৩ টাকা ৪৯ পয়সা হলে নয় হাজার ৫৯৭ টন চালের দাম হবে ৪১ কোটি ৭৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৩০ টাকা। অন্যদিকে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের কাছে প্রতি কেজি ১০ টাকা হারে বিক্রি করলে টাকা পাওয়া যাবে নয় কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

এক্ষেত্রে প্রতি বছর সরকারকে মোট ভর্তুকি দিতে হবে ৩২ কোটি ১৪ লাখ তিন হাজার ৫৩০ টাকা। এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, এ বিষয়ে দ্রুত সম্মতি দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।