২৫ শতাংশ ঈদ বোনাস তাও আবার যথা সময়ে পাওয়া যায় না হায়রে কপাল !!!


অথর
পাঠক নিউজ ডেক্স   খোলা মতামত
প্রকাশিত :২৮ মে ২০১৯, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ
২৫ শতাংশ ঈদ বোনাস তাও আবার  যথা সময়ে পাওয়া যায় না হায়রে কপাল !!!

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জীবন চরম হতাশায় অতিবাহিত হচ্ছে। বছরে দুইটি মাত্র ঈদ বোনাস দেওয়া হয় তাও আবার উত্তোলন করা যায় না। দেখলাম কারিগরি শাখার শিক্ষকরা ঈদের পরে ঈদ বোনাস তোলার তারিখ দেওয়া হয়েছে ১০ জুন।

এটা এক হতাশাজনক কান্ড। ঈদের পর ঈদ বোনাস অন্য কোন পেশায় আছে বলে মনে হয় না। শুধু বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এর স্বীকার।

শিক্ষকরা মনে হচ্ছে মানুষ নয়। ঈদ বোনাস দেওয়া হয় যেহেতু ঈদ উপভোগ করার জন্য। তাহল কেন বোনাস সঠিক সময়ে পাওয়া যায় না?
বেতন তো সবসময় দেরিতে দেওয়া হয়। এটা এত দিনে সকলের সহ্য হয়ে গেছে।

কিন্তু ঈদের সময় বেতন এবং বোনাসের টাকা দিতে এত গাফিলতি কেন?

সরকারি চাকরি জীবিরা যথা সময়ে পেলে ও বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা তা পায় ঈদের পর। এটা একটা চরম বিমাতা সুলভ আচরণ নয় কি?

একটি বৎসর পর ঈদ আসে আর সেই ঈদে প্রত্যেকেরই কিছু চাওয়া পাওয়া থাকে। কিন্তু সেটাও পূরণে ব্যর্থ হয় বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। পরিবার নিয়ে হতাশায় জীবনযাপন করতে হয় বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের।
দেখা যাচ্ছে কোন কিছু কর্তন বেলায় আগে আর দেবার বেলায় পরে এটা কোন মতেই মেনে নেয়া যায় না।

আজ দেখা যাচ্ছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এই ঈদে অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করতে হবে। এটা সত্যিই বেদনাদায়ক ।

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আশায় ছাই দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যা সত্যিই বেদনাদায়ক ঘটনা।
ঈদ বোনাস পিছিয়েছে কিন্তু ঈদ তো ঠিকই হয়ে যাবে ।

তাহলে বলুন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কি পেল সুধি সমাজ?

নিশ্চয়ই পেল বুক ফাটা যন্ত্রণা। এটা কি পাওয়ার কথা ছিল?

ঈদ আসে ঈদ যায় তবুও বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হলো না । প্রতিটি ঈদ বোনাস প্রায় একরকমই দেখা যাচ্ছে। কেউ উত্তোলন করতে পারে আবার কেউ পারে না

পরিবার থেকে শুনতে হয় কেমন চাকরি কর ঈদের পূর্বে বোনাস পাওনা, বেতন পাওনা। আর যা বোনাস পাও তাও আবার ২৫ শতাংশ। এটা কেমন বোনাস। অন্য পেশায় যারা আছে তারা পায় মুল স্কেলের সমান বোনাস।

নামে বোনাস কাজে নয়। ধার দেনা করে চলতে হয় এটার নামই মনে হয় বেশিক সমাজ।
যাদের নেই যোগ্য সম্মান।

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভাগ্যের চাকায় জং ধরে গেছে কেউ নেই রক্ষা করার। প্রতিটি শিক্ষকের আশাকে আজ বুক ফাটা কান্নায় ভাসিয়ে দিল কর্তৃপক্ষ। এই ঈদ বোনাস যথা সময়ে ছাড় দিলে আজ এমন অবস্থায় শিক্ষকদের পড়তে হতো না। এসব গাফিলতি ছাড়া আর কিছুই নয়।

আমরা আশা করব কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি সুবিবেচনা করে ভবিষ্যতে তার সমাধান করবেন ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনীত অনুরোধ এই যে, আপনি এই বিষয়টির একটি যুগোপযোগী সমাধান দিবেন। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আপনার নিকট এটি আশা করে।

ধন্যবাদান্তে
মোঃ আবুল হোসেন
সিনিয়র যুগ্ম- মহাসচিব
বাশিস (নজরুল)
কেন্দ্রীয় কমিটি।

No Comment.